ঢাকাWednesday , 5 October 2022
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. কলাম
  5. কৃষি
  6. খেলাধুলা
  7. গণমাধ্যম
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. প্রবাস
  11. বিনোদন
  12. ভ্রমণ
  13. রাজনীতি
  14. লাইফস্টাইল
  15. লিড

কর্মিহীন নেতা জহিরের উস্কনিতে স্বেচ্ছাসেবকলীগের প্রস্ততি সভায় হট্রগোল

Link Copied!

সিদ্ধিরগঞ্জ থানা শাখার সম্মেলনকে কেন্দ্র করে আয়োজিত প্রস্তুতিমূলক সভায় কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সামনে প্রকাশ্যেই মাদক ব্যবসায়ী, চাঁদাবাজ এবং হাইব্রিড ও অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে উস্কানি দেয় সিদ্ধিরগঞ্জের কর্মিহীন নেতা একাধিক মামলার আসামি জহির। বুধবার বিকালে সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি টিসি রোড এলাকাস্থ থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি মজিবুর রহমানের নিজ বাস ভবনে প্রস্তুতিমূলক সভার আলোচনা শেষে সিদ্ধিরগঞ্জের ৯টি ওয়ার্ডের নেতৃবৃন্দের জীবন বৃত্তান্ত সংগ্রহের সময় হাইব্রীড ও অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে নেতাকর্মি ভিতরে উত্তেজিত সৃস্টি করে দেয়। এসময় সভা স্থলে নেতাকর্মি মাঝে হট্রগোল শুরু হলে এলাকাবাসীর মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়ে।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবকলীগের প্রস্তুতিমূলক সভায় সভাপতিত্বে করেন নারায়গঞ্জের আলোচিত সেভেন মার্ডারের আসামি, চাঁদাবাজ ও ভূমিদস্যূ এলাকায় ব্যাপক পরিচিত আমিনুল ইসলাম রাজু, কর্মিহীন নেতা ও একাধিক মামলার আসামি জহিরুল হকের সঞ্চালনায় উক্ত প্রস্তুতিমূলক সভায় শুরু করেন।

এই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি এড. কাজী সাহানার ইয়াছমিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মিরাজ বিল্লাহ। প্রধান বক্তা ছিলেন, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব মজিবুর রহমান এবং বিশেষ বক্তা হিসেবে ছিলেন, সাধারণ সম্পাদক হাজী ইয়াছিন মিয়া।

স্থানীয় নেতা-কর্মীরা দু:খ প্রকাশ করে জানান,আমরা দীর্ঘদিন ধরে সিদ্ধিরগঞ্জবাসী কমিটি বঞ্চিত। কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপে দলকে সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে কমিটি গঠনের জন্য দফায় দফায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবকলীগের নেতা-কর্মীদের নিয়ে মতবিনিময় করছে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ স্থানীয় আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দের সাথে সমন্বয় করে সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি গঠন করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে করে নেতাকর্মরা চাঙ্গা হয়ে উঠেছে। কমিটিতে আধিপত্য বিস্তারের জন্য মাদক ব্যবসায়ী, চাঁদাবাজ, ভুমিদস্যু ও হাইব্রীডদেরকে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য জহির লিপ্ত হয়ে উঠেছে। তারই ধারাবাহিকতায় আজ প্রস্তুতিমূলক সভার আলোচনা শেষে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ওয়ার্ড নেতা-কর্মীদের কাছ থেকে জীবন বৃত্তান্ত সংগ্রহ করার একপর্যায়ে কর্মিহীন নেতা জহির অকথ্য ভাষায় কথা বলে নেতাকর্মি মাঝে হট্রগোল সৃস্টি করে দেয়।

এই জহিরের বিরুদ্ধে শিমরাইল মোড়ে চাঁদাবাজির সময় হাতে নাতে র‌্যাব-১১ এর হাতে গ্রেপ্তার হয়। তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধে ৭টি মামলা রয়েছে। বর্তমানে শীতলক্ষ্যা পাড়ের ওয়ার্কওয়ে ও সরকারী জায়গা দখল করে পাথর-বালুর ব্যবসা করছে। জহিরুল হকের দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধেও চাঁদাবাজি, মদকসহ বিভিন্ন অপরাধে বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে।

জহিরের দুই ভাইও র‌্যাব-পুলিশের হাতের গ্রেপ্তার হয়েছে। এমন অবস্থায় জহির যদি সিদ্ধিরগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবকলীগের শীর্ষ পদে আসীন হয় তাহলে এটা হবে চরম লজ্জার। দলের ভাবমূর্তি প্রশ্নবিদ্ধ হবে সাধারণ মানুষের মধ্যে। তারা বলবে, স্বেচ্ছাসেবকলীগের নেতৃত্বে এরা কারা? এমন কথা বলছেন স্থানীয় আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার তথ্যমতে, জহির শিমরাইল উত্তরপাড়া এলাকার মৃত: ধনু মেম্বারের ছেলে। যদিও জহিরুল হক প্রচার করে সে জাতীয় শ্রমিকলীগের সাবেক সভাপতি আবদুল মতিন মাস্টার তার চাচা। কিন্তু যোগযোগ করা হলে আবদুল মতিন মাস্টার জানান জহিরুল হক নামে তার কোন ভাতিজা নাই।

হট্রগোলের সময় জহির বলেন,আমরা সিদ্ধিরগঞ্জে থানায় বানের পানিতে বেসে আসি নাই। আমরা শিমরাইল এলাকার ছেলে আমাদের খুটির জোট আছে। আমারাও লোক জন আছে, আমাদের বংশ আনেক বড় আমারো ভাই আছে। আমরাও হাত পা ভাঙ্গার লোক আমি মারতে পারি। জহিরের সাথে যারা নেতা হতে চাই তারা মাদকসেবী তারা প্রতিদিন মাদক সেবন করে আসছে। তারা কখনো মিটিং মিছিলে দেখা যায় না,তারা সকলেই সুযোগ সন্ধ্যানি নেতা হতে চাই।

কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।