ঢাকাSunday , 1 January 2023
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. কলাম
  5. কৃষি
  6. খেলাধুলা
  7. গণমাধ্যম
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. প্রবাস
  11. বিনোদন
  12. ভ্রমণ
  13. রাজনীতি
  14. লাইফস্টাইল
  15. লিড
আজকের সর্বশেষ সবখবর

যশোরে আওয়ামী লীগ নেতা মুকুলের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে পূর্বের দোষ ঢাকার চেষ্টা

Link Copied!

: ঝিকরাগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে পূর্বের নিজের দোষ ঢাকার চেষ্টায় নেমেছে একটি কুচক্রি মহল। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যবহার করে লাগামহীন মিথ্যাচার চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম মুকুল ঘটনাস্থলে না থাকলেও রাজনৈতিভাবে হেয় করতে একের পর এক মিথ্যা অপবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ ও মুক্তিযোদ্ধারা। শনিবার সকালে প্রেসক্লাব যশোরে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ এসব অভিযোগ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম মুকুল, সাধারণ সম্পাদক মুছা মাহমুদ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদরের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাজান আলী, ফিল্ড কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদের, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক, যোদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ইলিয়াস উদ্দিন, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার আব্দুর রশীদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আনিছুল কাদের, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মশিউপর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আমীর আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা কামাল হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান, বীর মুক্তিযোদ্ধা এরশাদ আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।

লিখিত বক্তব্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম মুকুল বলেন, দীর্ঘ ৮ বছর সুনামের সাথে সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছি। কোনো অন্যায় অনিয়ম না পেয়ে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসানো চেষ্টায় নেমেছে একটি কুচক্রী মহল। বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে সভাপতি কর্তৃক মুক্তিযোদ্ধারা লাঞ্ছিত হয়েছে মর্মে একটি কাল্পনিক অপবাদ তুলে একটি মহল ২৮ ডিসেম্বর ঝিকরগাছা বাজারে মানববন্ধন করেছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই না করে কয়েকটি গণমাধ্যমে এ সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে।

তিনি বলেন, ২৭ ডিসেম্বর থানা পুলিশ কর্তৃক আয়োজিত বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে এমপি, এসপি, উপজেলা চেয়ারম্যান, পৌরমেয়র, নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক, থানার ওসি, বীর মুক্তিযোদ্ধা নেতৃবৃন্দসহ সমাজের বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন। এ অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধারা লাঞ্ছিতের শিকার হয়েছেন তা কিন্তু কেউ দেখেনি। থানায় সিসি টিভিতে ধরা পড়েনি। অভিযোগকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা লিয়াকত আলী সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেছিলেন, ঘটনাস্থালে আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম মুকুল ছিলেন না। তারপরও আমাকে জড়িয়ে একের পর এক মিথ্যা অপবাদ দেয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা লিয়াকত আলী গত চার বছর ধরে নিজেকে উপজেলা কমান্ডার ও এমপির প্রতিনিধি হিসেবে নিজেকে পরিচয় দেন। তিনি অমুক্তিযোদ্ধাদের মুক্তিযোদ্ধা ও অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের বীর নিবাস নির্মাণ করে দেয়ার নামে লাখ লাখ টাকা ঘুষ বাণিজ্য করেছেন। যার প্রমাণ ঝিকরগাছার অলিতে গলিতে। তার এহেন কর্মকান্ডের ব্যাপারে জেলা প্রশাসক ও ইউএনওকে অবহিত করা হয়েছে। তারপরও তিনি এমপির নির্দেশে তার কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। ১৯৮৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের পক্ষে নির্বাচন করেছিলেন এ বীর মুক্তিযোদ্ধ লিয়াকত আলী। তিনি এমপি ডাক্তার নাসির উদ্দিনের ভাইরা বিএনপি নেতা নুরুল আমিন দুদুর সাথে নির্বাচনে ব্যাপক ভুমিকা পালন করেছিলেন। সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম পরাজিত হয়েছিলেন। ২০০১ সালের নির্বাচনে নুরুল আমিন দুদুর সাথে লিয়াকত আলী জামায়াতের পক্ষে ভোট করেছিলেন।

প্রকৃতপক্ষে গত ১৬ মার্চ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কক্ষে এমপি নাসির উদ্দিন প্রকাশ্য হুঙ্কার দিয়ে বলেছিলেন ‘আব্দুল কাদের কই? ওর চামড়া তুলে নেব। বাসার কই, ওরও চামড়া তুলে নেব? আমার এই চেহারা দেখেছে, ওরা আমার আসল রূপ এখনো দেখেনি’। যা পর দিন সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয়েছিল।

প্রকৃত পক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধা লিয়াকত আলীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ দেয়ায় আমার ও আমার পরিবারের উপর ক্ষিপ্ত হয়েছেন তিনি। এছাড়া মুক্তিযোদ্ধাদের লাঞ্ছিত করে এমপি’র দেয়া বক্তব্যকে আড়াল করতে আমার বিরুদ্ধে এহেন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন তারা।

কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।